BangaliNews24.com

তিস্তার পানি বিপদসীমার নাগালে

তিস্তার পানি বিপদসীমার নাগালে
জুলাই ০২
০০:২০ ২০১৮

নীলফামারী প্রতিনিধি : ভারী বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা ছুঁইছুঁই করছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার।

জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা ও লালমনিরহাট এলাকার তিস্তার চরবেষ্টিত গ্রামগুলোর ঘরবাড়িতে পানি উঠতে শুরু করেছে। ফলে ডিমলার টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, খগাখড়িবাড়ী, পূর্বছাতনাই, নাউতারা, ডাউয়াবাড়ী, গোলমুন্ডা ও জলঢাকার শৌলমারীসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের পরিবারগুলো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

এদিকে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, আমার ইউনিয়নের ঝাড়সিংস্বর এলাকাটি নিচু হওয়ায় সেখানে বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। স্থানীয়রা এই মুহূর্তে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্ততি নিচ্ছেন। অপরদিকে বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে রাখা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, রবিবার সকাল ৬টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় ওই পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫২ দশমিক ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে নতুন বিপদসীমা ধরা হয়েছে ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার।

কেন্দ্রটি জানায়, ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা অববাহিকায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৯৯ মিলিমিটার। এছাড়া আজ নীলফামারী জেলায় দিনব্যাপী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রবিবার সকাল থেকে ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সতর্ক অবস্থা থেকে ব্যারাজের ৪৪টি (জলকপাট) স্লুইস গেট খুলে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বন্যা মোকাবিলায় সবসময় প্রস্তত আছি।

অন্যান্য খবর

BangaliNews24.com