BangaliNews24.com

আর্থিক সহযোগিতা সহ সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাচার আকুতি গাইবান্ধা জেলার বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা

আর্থিক সহযোগিতা সহ সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাচার আকুতি গাইবান্ধা জেলার বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা
জানুয়ারী ০৯
০১:০৩ ২০১৯

এস.এম.রাফাত হোসেন বাঁধন, রংপুর প্রতিনিধি: বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা পেশায় ছিলেন একজন জনপ্রতিনিধি। পাশাপাশি গণমানুষের অধিকার আদায়ে ছিলেন সোচ্চার এক কন্ঠ। স্বাধীনতার ৪৭ বছর থেকে বুকে পাকিস্তানি ঘাতক বুলেট নিয়ে বেচে রয়েছেন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও শেষ জীবনে যুদ্ধাহত’র স্বীকৃতি ও খেতাব পাননি – এমন অভিযোগ মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুলের

বর্তমানে মুর্মূর্ষ অবস্থায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এমতাবস্থায় আর্থিক সহযোগিতা সহ সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাচার আকুতি জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের সাহাপাড়া এলাকার মৃত দোলেয়াড় হোসেনের ৩য় পুত্র বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা। তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে খুলনায় বাঙ্গালী পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে ১১নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশনেন তিনি। (ভারতীয় যুদ্ধা নং-৪১৭৬০, মুক্তিবার্তা নং-০৩১৭০১০/১৬০ গেজেট নং-৪৮, জাতীয় তালিকা-৪১)।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে পলাশবাড়ির বেতকাপা ইউনিয়নে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী, রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর সাথে সন্মুখ যুদ্ধ শুরু হয়। ওই যুদ্ধে ফরহাদ আলীর পুত্র গোলাম রব্বানীসহ ৫ জন শহীদ হন। এসময় হানাদার বাহিনীর বেশকজন মারা যায়। ওই যুদ্ধে তারা বুকের বাম পাশে এলএমজির একটি গুলি ঢুকে যায়।

স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরলেও শেষ জীবনে যুদ্ধাহত’র স্বীকৃতি ও খেতাব পাননি আবার অর্থের বিনিময়ে যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার স্বাকৃতি দিতেচেয়েও দেয়নি-এমন অভিযোগ মুক্তিযোদ্ধা বাদশাহ ও তার পরিবারের

ঘাতকের ছোড়া বুলেট নিয়ে তিনি এত দিন বেচে থাকলেও শেষ বয়সে দেহে নানা রোগ বাসা বেধেছে। ডায়াবেটিক ,শ্বাসকষ্ট, কিডনি জটিলতায় তিনি এখন রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধিন

তবে তার বর্তমান চিকিৎসা সম্পর্কে বারবার রংপুর মেডিকেল চিকিৎসকের কাছে বারবার ধরনা দিলেও ইসারায় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন বুঝালেও ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এমতাবস্থায় আর্থিক সহযোগিতা সহ সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাচার আকুতি জানান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বাদশা ও তার পরিবার

অন্যান্য খবর

BangaliNews24.com