BangaliNews24.com

জনবল সংকটে হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,চিকিৎসা সেবায় বেহাল দশা

জনবল সংকটে হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,চিকিৎসা সেবায় বেহাল দশা
ডিসেম্বর ১১
০৩:০৭ ২০১৮

 

এস এম রাফাত হোসেন বাঁধন, বিশেষ প্রতিনিধি : নামেই মাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসকসহ লোকবল,চিকিৎসা সেবায় প্রয়োজনীয় নেই যন্ত্রপাতি ও ঔষধ সংকট তো রয়েছেই!কর্তব্যরত চিকিৎসক বলছেন-জনবল সংকট সহ রাজস্বখাতে স্থান্তারিত না হওয়ার কারণে ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির চিকিৎসা সেবা।ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ৭৫ হাজার মানুষ।

এমন অবস্থা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির।বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো থেকে নাসিং স্টাফ দিয়ে সামান্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভা ঘোষনার ২৯ বছর পার হলেও হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। হারাগাছ পৌরসভার ৭৫ হাজার লোকের একমাত্র ভরসা স্থল হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ১৯৯৬ সালে ৩১ শয্যায় উন্নীত করে চালু করা হলেও ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও বৃদ্ধি করা হয়নি জনবল,চিকিৎসক, হাসপাতাল সহকারী,সেবিকাসহ বর্তমানে ৫৩জন থাকার কথা থাকলেও রাজস্বখাতে স্থান্তারিত না হওয়ার কারণে শুধুমাত্র একজন চিকিৎসক আর সীমিত জনবল দিয়ে রোগীদের নামমাত্র যথার্থ সেবা দিচ্ছেন।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এমনকি এখন পর্যন্ত চালু হয়নি প্যাথলজি বিভাগ,অপারেশন থিয়েটার, সার্জিকাল বিভাগ,সিজার-ইন সেকশন বিভাগ আর পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম না থাকায় কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হারাগাছ পৌরসভার দরিদ্র সীমার নিম্ন আয়ের মান্ুেষরা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী আশরাফুল ইসলাম সাথে কথা বলে জানা যায়Ñহাসপাতাল থেকে সামান্য চিকিৎসা দেওয়া হয় আর বাকীসব চিকিৎসার জন্য বাইওে ভরশা করতে হয়।গরীব মানুষেরা বড় আশা নিয়ে আসে যে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো পাওয়া যাবে কিন্তু মোটেই এখানে কোন চিকিৎসা নেই।আবার ডাক্তাররা চিকিৎসার জন্য বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয়।রহিমা বেগম বলেন-এখানে তো কোন চিকিৎসা নেই,দুইটা একটা ঔষধ দেয় বাকী গুলো তো কিনতে হয়।
কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: সামছুজামান বলেছে- জনবল সংকটসহ সেবা প্রদানকারী পদগুলো -রাজস্বখাতে স্থান্তাারিত না হওয়ার কারণে আমাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে অসুবিধা হচ্ছে।যদি কর্তৃপক্ষ এখানকার পোষ্ট গুলো রাজস্বখাতে স্থান্তারিত করা হয় তাহলে এখনকার দারিদ্র পরিবার ও নিম্ম আয়ের মানুষেরা চিকিৎসা সেবা পাবেন।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা: জাকিরুল ইসলাম বলেন-এক সময় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির কোন প্রকার চিকিৎসক ছিলো না।আমরা অনেক লেখালেখি করার পর থেকে ২৫টি পোষ্ট শুধু রেভিনিউ খাতে যায় আর বাকীগুলো এখনও ডেপলোমেন্ট খাতে রয়েছে।এই হাসপাতালে কোন প্রকার সেবিকা ছিলো না,আমরা লেখালেখি করার পর সেখানে সেবিকা দেওয়া হয়েছে।খুব শ্রীঘই এটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট্য হাসপাতালের অবকাঠামোর ন্যায় ডেপলোমেন্ট করা হবে।এখানে বহি:বিভাগে রোগীর সংখ্যা সবচাইতে বেশি,তাই যত দ্রæত সমস্যা সমাধান করে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

অন্যান্য খবর

BangaliNews24.com