BangaliNews24.com

আজ বাংলাদেশের শোকের দিন, বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাবনত জাতি

আজ বাংলাদেশের শোকের দিন, বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাবনত জাতি
অগাস্ট ১৫
১৩:০১ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের কোণে কোণে যার নামে মানুষ স্বাধীন বাংলাদেশকে চিনেছে, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করবার কলঙ্কময় দিবসটি ফিরে এসেছে আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুধু গোটা দেশ নয়; দেশে দেশে সচেতন মানুষেরা থমকে গিয়েছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যার খবর শুনে। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের ঘুমন্ত সদস্যদের ভোর রাতে হত্যা করেছিলো একদল বিপথগামী সেনা সদস্য। দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতির এই দিনটি জাতীয় শোক দিবস।

এই ঐতিহাসিক ভাষণের সাথে শুধু দেশের মানুষ নয়, বিশ্বের মানুষ পরিচিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ থেকে। এই ভাষণের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি বলেন অনেকে, যিনি নিজের জীবনের সর্বস্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ ও মানুষের জন্য।

এই ভালবাসার বিনিময়ে বঙ্গবন্ধু জীবনের দীর্ঘ সময় কারাবাস ও মৃত্যু মুখে পতিত হবার ঝুঁকি বারবার বরণ করেছেন হাসি মুখে। কিন্তু দেশের মানুষকে ঠিকই উপহার দিয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশ। তাঁর সাড়ে তিন বছর পর নিজ দেশের বিশ্বাসঘাতকরা শত্র“ দেশগুলোর সাথে ষড়যন্ত্রে যুক্ত হয়ে ১৯৭৫ সালের এই দিনে জতির জনক শেখ মুজিবকে হত্যা করে।

বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, দশ বছরের শিশু শেখ রাসেলসহ তিন পুত্র, দুই পুত্রবধূ, ভাই এবং আরো কয়েকজন দায়িত্বরত ব্যক্তি এই বর্বরতম রাজনৈতিক হামলায় নিহত হন। ঘাতক সেনারা ভিন্ন বাসায় হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়দের। সেসব হামলায়ও দশ বছরের আরেক শিশু- সুকান্ত প্রাণভিক্ষা পায়নি।

বঙ্গবন্ধুর মতো মহাপ্রাণ নেতার অকাল মৃত্যুতে যে স্থায়ী ক্ষত তৈরি হয়েছে দেশ ও জাতির জন্য তার মূল্য আজোও দিয়ে যেতে হচ্ছে।

হত্যাকাণ্ডের সময় বিদেশে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বহু বছর পর দেশে এসে ধ্বংসপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগকে শেখ হাসিনা শুধু পুনরুজ্জীবিতই করেননি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে পিতার খুনীদের বিচার নিশ্চিত করেছেন, যা নজিরবিহীনভাবে কালো আইন দিয়ে বন্ধ করেছিল খুনীদের পৃষ্ঠপোষক সরকারগুলো।

আরও ক’জন দণ্ডপ্রাপ্ত খুনী এখনও বিদেশে পালিয়ে আছে, যাদের ধরে এনে সাজা দেবার দাবি প্রতিবছরের মতো লাখো কণ্ঠে আবারও উচ্চারিত হচ্ছে আজ। দশ মাস আগে জাতিসংঘের একটি সংস্থা উনেস্কো বঙ্গবন্ধুর একাত্তরের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্বের এতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ দলিলগুলোর একটি হিসেবে স্বিকৃতি দিয়েছে। এমন অমূল্য গর্ব বাংলাদেশের মানুষের জন্য যিনি এনে দিয়েছেন সেই বঙ্গবন্ধুর জন্য আজ আবার কাঁদছে বাংলাদেশ।

অন্যান্য খবর

BangaliNews24.com