BangaliNews24.com

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ২ মামলার রায় ১০ অক্টোবর

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ২ মামলার রায় ১০ অক্টোবর
সেপ্টেম্বর ১৮
২২:৩১ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল আলোচিত ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আগামী ১০ অক্টোবর। ২০০৪ সালে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বর্বর সন্ত্রাসী হামলাটি সংঘটনের ৮ বছর পর ২০১২ সালে বিচার শুরু হয় নিু আদালতে। দীর্ঘ ৬ বছর বিচার কার্যক্রম শেষে মঙ্গলবার ঢাকার একটি আদালত রায় ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ করে।

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায় ২০০৪ সালের একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা।
তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করাই ছিল সেই নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্য। সেদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেয়ার সময় এই গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল। তখন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী চার দলীয় জোট সরকার ছিল রাষ্ট্র ক্ষমতায়। তারা ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে এই সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য জজ মিয়া নাটক সাজানোসহ নানান প্রমাণাদি বিনষ্টের জন্য সমালোচিত হয়। অবশেষে ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকার এবং ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দুই আমলে অনুষ্ঠিত দু’দফার তদন্তে মামলার বিচার শুরু হয় ২০১২ সালে। যার কার্যক্রম ছয় বছর পর মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

এ মামলায় আসামি মোট সংখ্যা ৫২ জন। গত ছয় বছরে তিন জন আসামি ভিন্ন দুটি মামলায় মৃত্যুদন্ড পেলে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়। তারা হলেন, যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের মুফতি আব্দুল হান্নান ও শাহিদুল আলম বিপুল। ফলে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় এখন ৪৯ জন আসামির বিচার করা হচ্ছে। যার মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জেষ্ঠ্যপুত্র তারেক রহমানসহ ১৮ জন পলাতক। অভিযুক্তদের আইনজীবীরা মঙ্গলবার মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণার দিন আবারো তাদের মক্কেলদের পক্ষে শেষ বক্তব্য তুলে ধরেন।

এই মামলায় তিন জন সাবেক আইজিপি খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইদুল ইসলাম ডিউকসহ আটজন আসামি জামিনে ছিলেন। তাদের জামিন বাতিল করে আদালত মঙ্গলবার কারাগারে পাঠিয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর রায় ঘোষিত হলে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যমত আলোচিত এই সন্ত্রাসী ঘটনার বিচারের প্রথম ধাপ শেষ হবে। অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও সেই হামলায় নিহত হয়েছিলেন ২৪ জন এবং আহত হয় আরো তিনশ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।

অন্যান্য খবর

BangaliNews24.com